BOSS-Linux/C2/Basic-Commands/Bengali

From Script | Spoken-Tutorial
Jump to: navigation, search
Time Narration
00:00 লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের এই কথ্য টিউটোরিয়ালে আপনাকে স্বাগত জানাচ্ছি।
00:05 এই টিউটোরিয়ালেটিতে, আমরা কিছু মৌলিক র্নিদেশাবলী শিখব।
00:10 আমি লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছি।
00:12 আমি ধরে নিচ্ছি যে আপনি লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম কিভাবে শুরু করতে হয়, ত়া জানেন ।
00:17 আপনি চাইলে সেই সংক্রান্ত টিউটোরিয়াল-টি www.spoken-tutorial.org ওএবসাইট-এ দেখতে পারেন ।
00:26 এই টিউটোরিয়ালেটিতে আমরা কমান্ড এবং কমান্ড interpreter সম্পর্কে শিখব ।
00:33 তারপর আমরা শিখব কিভাবে man কমান্ড-এর দ্বারা লিনাক্সে সাহায্য পাওয়া যেতে পারে ।
00:39 এখন প্রথম প্রশ্ন হল, কমান্ড আসলে কি ?
00:43 সরল ভাষায় লিনাক্স কমান্ড হল এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা দিয়ে কোনো ক্রিয়া বা action হয় ।
00:52 খুব কম লিনাক্স কমান্ডই দৈর্ঘ্যে চার অক্ষরের চেয়ে বেশি হয় । উদাহরণস্বরূপ, ls, who, ps ইত্যাদি ।
00:59 কমান্ড-গুলি lower case বা ছোটো হাতের অক্ষরে লেখা হয় এবং সেগুলি কেস sensitive হয় । চলুন একটি উদাহরন দেখি ।
01:05 Application -> Accessories ।
01:08 তারপর অপশন-গুলি থেকে টার্মিনাল ক্লিক করলাম ।
01:14 আমরা এখন প্রম্পট দেখতে পাচ্ছি ($) এবং তার পাশে একটি কার্সর দপদপ করছে । এই প্রম্পট-এই আমরা কমান্ড টাইপ করবো ।
01:22 who টাইপ করে এন্টার প্রেস করুন ।
01:28 এখন এই সিস্টেম-এ যারা log in করে আছে, তাদের নাম দেখা যাচ্ছে । আমরা প্রকৃতপক্ষে একটি কমান্ড who রান করেছি যার দ্বারা সিস্টেম-এ কারা log in করে আছে, ত়া দেখা যায় ।
01:41 কিন্তু কে এই command-গুলিকে, যেগুলি আসলে কএকটি অক্ষরের থেকে বেশি কিছু নয়, সেগুলিকে ক্রিয়াত়ে রূপান্তর করছে?
01:47 এ0ইটি, কমান্ড Interpreter-এর কাজ । এটিকে shell বলা হয় ।
02:53 shell বলতে এমন একটি program -কে বোঝায় আমাদের এবং লিনাক্স সিস্টেম-এর মধ্যে সাধারণ ক্ষেত্র হিসাবে কাজ করে ।
02:02 এটি আমাদের দ্বারা লেখা কমান্ড অপারেটিং সিস্টেম-এ execute করত়ে বা চালাতে সাহায্য করে ।
02:07 লিনাক্স -এ একাধিক আলাদা shell ইনস্টল করা যায় যাতে আপনি আপনার পছন্দমত shell-টি ব্যবহার করতে পারেন ।
02:16 লিনাক্স-এ সাধারনতঃ bash বা GNU Bourne-Again SHell সেল /bin/sh হিসাবে ইনস্টল করা থাকে ।
02:29 এই টিউটোরিয়ালটিতে আমরা যে কমান্ড-গুলি শিখব, সেগুলি generic অর্থাৎ বেশিরভাগ লিনাক্স shell-এই সামান্য কিছু পরিবর্তন করে এই কমান্ড-গুলি রান করা যায় ।
02:38 আমরা এই টিউটোরিয়াল- কমান্ড রান করার জন্য bash shell ব্যবহার করব ।
03:44 কারণ, bash সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় শেল এবং প্রায় সমস্ত ইউনিক্স সিস্টেম-এ ব্যবহার করা যায় ।
02:52 অন্যান্য shell -এর মধ্যে আছে Bourne shell (sh) যেটি মূল ইউনিক্স শেল, C শেল (csh) এবং Korn shell
03:02 আমরা কোন shell ব্যবহার করছি, তা দেখার জন্য
03:08 টার্মিনাল উইন্ডোতে যান । কমান্ড প্রম্পট-এ লিখুন - echo স্পেস ডলার বড় হাতের অক্ষরে SHELL । এন্টার টিপুন ।
03:21 সাধারণতঃ, /bin/bash বা bash শেল আউটপুট হিসাবে দেখা যায় ।
03:28 আমরা চাইলে অন্য শেল-এও কাজ করতে পারি । সেই পদ্ধতি আরো advanced টিউটোরিয়ালে আলোচনা করা হবে ।
03:36 প্রকৃতপক্ষে কমান্ড-গুলি হল ফাইল যাতে প্রোগ্রাম থাকে, প্রোগ্রাম-গুলি প্রায়শই C language-e লেখা হয় ।
03:41 এই ফাইলগুলি ডিরেক্টরীতে থাকে । একটি কমান্ড কোথায় আছে ত়া দেখার জন্য, আমরা টাইপ কমান্ড ব্যবহার করতে পারি ।
03:48 কমান্ডে প্রম্পট-এ লিখুন type স্পেস ps । এন্টার টিপুন ।
03:58 দেখা যাচ্ছে যে ps হল প্রকৃতপক্ষে একটি ফাইল যা /bin ডিরেক্টরীতে থাকে ।
04:03 যখন আমরা কমান্ড প্রম্পট-এ কমান্ড এন্টার করি, shell কিছু নির্দিষ্ট ডিরেক্টরীতে অনুরূপ নামের ফাইলটি অনুসন্ধান করে ।
04:12 যদি ফাইল-টি খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে সেই সংশ্লিষ্ট ফাইল এর প্রোগ্রাম রান করে, অন্যথায় একটি “command not found” error দেখা যায় ।
04:21 কোন কোন ডিরেক্টরী-ত়ে কমান্ডটি অনুসন্ধান করা হবে, ত়া PATH variable দ্বারা বোঝা যায় । আমরা এটি একটু পরেই দেখব ।
04:28 এখন যদি আমরা সেই ডিরেক্টরী-গুলির তালিকা দেখতে চাই, তাহলে echo স্পেস ডলার ক্যাপিটাল-এ PATH কমান্ড-টি লিখুন ।
04:40 এন্টার টিপুন ।
04:45 কমান্ড-এর ব্যাপারে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস উল্লেখ করা প্রয়োজন ।
04:51 লিনাক্স দুই ধরনের কমান্ড আছে : External command এবং internal command ।
04:56 external কমান্ড-গুলি আলাদা ফাইল বা প্রোগ্রাম হিসাবে থাকে ।
05:00 লিনাক্স-এ বেশীরভাগ কমান্ড-ই এই প্রকৃতির । কিন্তু কিছু কমান্ড আছে যাদের implementation shell-এর ভিতরেই লেখা থাকে এবং সেগুলি আলাদা ফাইল হিসেবে থাকে না ।
05:12 সেগুলি হল internal কমান্ড ।
05:14 echo একটি internal কমান্ড । এটি নিয়ে আমরা এমরা একটু পরেই আলোচনা করবো ।
05:18 টার্মিনাল উইন্ডো-তে যাjan । কমান্ড প্রম্পট-এ লিখুন -
05:26 type স্পেস echo । এন্টার টিপুন ।
05:34 আউটপুট থেকে দেখা যাচ্ছে echo একটি shell bulletin ।
05:43 একটি ফাইল-এর নাম দেওয়ার পরিবর্তে, এটি দেখায় যে echo কমান্ডের implementation শেল-এর মধ্যেই আছে ।
05:50 এবার অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, অর্থাত কমান্ড-এর কাঠামো নিয়ে আলোচনা করা যাক ।
05:55 কমান্ড একটি শব্দ অথবা সাদা স্পেসের দ্বারা আলাদা করা একাধিক শব্দ নিয়ে হতে পারে ।
06:02 দ্বিতীয ক্ষেত্রে প্রথম শব্দটি হল কমান্ডের প্রকৃত নাম এবং অন্যগুলি হল arguments ।
06:09 argument-গুলি অপশন বা expression অথবা ফাইল নাম হতে পারে ।
06:14 একটি কমান্ড বিভিন্ন অপশন-এর জন্য বিভিন্ন কাজ করে থাকে ।
06:20 সাধারণত অপশন-গুলির পূর্বে একটি বা দুটি বিয়োগ চিন্হ থাকে [-] থাকে, সেগুলিকে যথাক্রমে সংক্ষিপ্ত এবং দীর্ঘ অপশন বলে ।
06:28 টার্মিনাল উইন্ডো-তে যান । কমান্ড লিখে তাদের আউটপুট দেখা যাক ।
06:34 টার্মিনাল উইন্ডো পরিস্কার করার জন্য clear লিখুন ।
06:37 তারপর ls লিখে এন্টার টিপুন ।
06:43 আবার clear লিখে এন্টার টিপুন ।
06:49 লেখা যাক ls স্পেস মাইনাস a । তারপর এন্টার টিপুন ।
06:59 টার্মিনাল পরিষ্কার করার জন্য আবার clear লিখুন ।
07:04 এরপর লিখুন ls স্পেস মাইনাস মাইনাস all । তারপর এন্টার টিপুন ।
07:13 আবার, টার্মিনাল পরিষ্কার করার জন্য clear লিখুন ।
07:18 এবার লিখুন ls স্পেস মাইনাস d । এন্টার টিপুন ।
07:26 এখন এইটুকু বুঝলেই যথেষ্ট যে অপশন-এর পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কমান্ডের আচরণ-এরও পরিবর্তন হয় ।
07:33 লিনাক্স-এ অনেক কমান্ড আছে,
07:39 যেগুলির প্রত্যেকটির অনেকগুলি অপশন আছে ।
07:42 ক-একটি কমান্ড-কে একত্র করে একসাথে চালানো যেতে পারে । আমরা সেটি একটু পরে দেখব । কিন্তু, এত কিছু আমরা মনে রাখব কিভাবে ?
07:48 বাস্তবে, মনে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই । কারণ, লিনাক্সে উত্কৃষ্ট online সাহায্যের সুবিধা আছে ।
07:55 man কমান্ড-এর দ্বারা লিনাক্স-এর প্রতিটি কমান্ডের সম্বন্ধে তথ্য জানা যায় ।
08:01 উদাহরণ স্বরূপ, ls কমান্ড-এর বিষয়ে জানতে হলে আপনি টার্মিনালে যান ।
08:09 এবার man কমান্ড-এ আর্গুমেন্ট হিসাবে ls লিখতে হবে । লেখা যাক - man স্পেস ls । এন্টার টিপলাম ।
08:23 এখান থেকে বেরিয়ে আসতেহলে q টিপতে হবে ।
08:29 man হল সিস্টেম-এর নিজস্ব তথ্যসহায়ক । সাধারণতঃ man-এর আর্গুমেন্ট একটি প্রোগ্রাম, উপযোগীতা বা function হয়ে থাকে ।
08:37 man সেই আর্গুমেন্ট-এর সাথে সংশ্লিষ্ট তথ্য প্রদর্শন করে ।
08:43 কোনো সেকশন বা পরিচ্ছেদ উল্লেখ করা থাকলে man শুধুমাত্র সেই পরিচ্ছেদ -এর তথ্য অনুসন্ধান করে ।
08:49 সাধারনতঃ man কমান্ড পূর্বনির্ধারিত ক্রম-অনুসারে সব পরিচ্ছেদ -এই অনুসন্ধান করে এবং তথ্যটি একাধিক পরিচ্ছেদ-এ থাকলে এটি কেবলমাত্র প্রথম পরিচ্ছেদ -এর তথ্যটি-ই দেখায় ।
09:00 আপনি man কমান্ড-টিকে স্বয়ং man কমান্ড-এর সম্বন্ধে জানতেও ব্যবহার করতে পারেন।
09:07 টার্মিনাল-এ গিয়ে লিখুন man স্পেস man । এন্টার টিপুন ।
09:16 বাইরে আসতে q টিপুন ।
09:20 man কমান্ডের অনেক অপশন আছে ।
09:23 এখানে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ অপশন-গুলি নিয়ে আলোচনা করা যাক । কখনও এরকম হয় যে আমরা কি করতে চাই, ত়া জানি কিন্তু সেটি করার জন্য সঠিক কমান্ড-টি জানি না । সেইক্ষেত্রে আমরা কি করব  ?
09:35 man কমান্ড -k অপশন-এর সাথে ব্যবহার করলে সেটি একটি keyword-এর সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্ত কমান্ড-গুলির একটি তালিকা দেয় এবং তাদের সংক্ষিপ্ত উদ্দেশ্যে জানায় ।
09:44 উদাহরণস্বরূপ, একটি ডিরেক্টরী তৈরি করার সঠিক কমান্ড আমরা নাও জানতে পারি ।
09:50 সেইক্ষেত্রে কমান্ড প্রম্পট-এ গিয়ে লিখতে হবে - man স্পেস মাইনাস k স্পেস directories । এন্টার টিপুন ।
10:06 এখন আমরা এই সবকটি কমান্ড থেকে আমাদের প্রয়োজনীয় কমান্ড-টি খুঁজে নিতে পারি ।
10:11 একই জিনিস apropos কমান্ড-এর মাধ্যমে-ও করা যায় ।
10:15 কমান্ড প্রম্পট-এ লিখুন - apropos স্পেস directories । আউটপুট দেখতে এন্টার টিপুন ।
10:29 কোনো কোনো সময় আমাদের খুব অধিক বিশদ বর্ণনার প্রয়োজন থাকে না । আমাদের শুধু জানার থাকে একটি কমান্ড কি করে ।
10:35 সেইক্ষেত্রে আমরা whatis কমান্ড অথবা man -f ব্যবহার করতে পারি । দুটি-ই কমান্ডের এক লাইন-এর বর্ণনা দেয় ।
10:45 কমান্ড prompt-এ এটি চালিয়ে দেখা যাক । টার্মিনাল window পরিষ্কার করার জন্য clear লিখুন ।
10:51 লিখুন whatis স্পেস ls । এন্টার টিপুন ।
10:59 কিছু command এর অনেক অপশন থাকে । আমরা কমান্ডের বিভিন্ন অপশন-গুলি একটি তালিকা দেখতে চাইতে পারি ।
11:07 তারজন্য মাইনাস help অপশন ব্যবহার করতে হবে ।
11:12 command prompt এ গিয়ে লিখুন Is স্পেস মাইনাস মাইনাস help । এন্টার টিপুন ।
11:23 আমি উপরে স্ক্রল করছি যাতে আপনারা এই তথ্যসহায়ক পৃষ্ঠার সমস্ত অপশন-গুলি দেখতে পারেন ।
11:38 এখানেই এই টিউটোরিয়াল্-এর সমাপ্তি হল । স্পোকেন্ টিউটোরিয়াল্ Talk to a Teacher প্রকল্পের অংশবিশেষ যা ICT এর National Mission on Education দ্বারা সমর্থিত ।
11:49 এই বিষয় বিস্তারিত তথ্য নিম্নলিখিত লিঙ্ক-এ আছে ।
11:54 আমি অন্তরা এই টিউটোরিয়াল-টি অনুবাদ এবং রেকর্ড করেছি।

Contributors and Content Editors

Kaushik Datta