Health-and-Nutrition/C2/Non-vegetarian-recipes-for-6-month-old-babies/Bengali

From Script | Spoken-Tutorial
Revision as of 23:56, 30 July 2019 by Sneharout321 (Talk | contribs)

Jump to: navigation, search
Time
Narration
00:00 “৬ মাসের শিশুর জন্য আমিষ রেসিপি” তৈরির “মৌখিক টিউটোরিয়ালে” আপনাকে স্বাগত জানাই
00:08 এই টিউটোরিয়ালে, আমরা শিখবো- শিশুর জন্য আমিষ পরিপূরক আহার প্রদানের গুরুত্ব এবং
00:17 কিভাবে আমরা আমিষ পরিপূরক আহার তৈরি করবো যেমন-
00:22 ডিমের পিউরি
00:24 মাছের পিউরি

কাঁচা কলা দিয়ে ফিশ পরিজ

00:27 চিকেন লিভার পিউরি ও চিকেন আর গাজরের পিউরি
00:31 তাহলে আসুন শুরু করা যাক- সব সময় মনে রাখবেন যে আপনার শিশু ৬ মাস বয়সের হয়ে গেলে, তাঁর পুষ্টিপদার্থের চাহিদা বিপুল পরিমানে বৃদ্ধি পায়।
00:42 পরিপূরক আহার থেকে তাঁর ২০০ ক্যালোরি পর্যন্ত শক্তির প্রয়োজন হয়
00:48 বুকের দুধ খাওয়ানোর সঙ্গে সঙ্গে, পরিপূরক আহার দেওয়া শুরু করতে হবে।
00:53 এগুলি ছাড়াও, ধীরে ধীরে শিশুর বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে- খাবারের পরিমাণ ও ধরন পাল্টাতে হবে
01:03 অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন যে, শিশুকে খাওয়ানোর সময়, খাবারের পরিমাণ সব সময় কাপ ও চামচের হিসাবে পরিমাপ করতে হবে।
01:12 এটি একই সিরিজের অন্য একটি টিউটোরিয়ালে ব্যাখ্যা করা হয়েছে
01:18 যখন শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হয়ে যাবে- প্রাথমিকভাবে ১ চামচ করে দিনে দু’বার খাওয়ান।, তারপর ধীরে ধীরে তা দিনে ৪ চামচ পর্যন্ত বাড়ান
01:29 এবং শুধুমাত্র ভালো ভাবে রান্না করা, পিউরি আকারে অর্থাৎ তরল আকারে খাবার তাকে দিতে হবে
01:35 এখন আমরা দেখবো, যে কিভাবে আমিষ খাবার শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ
01:40 সব আমিষ খাবারেই উপযুক্ত পরিমানে ফ্যাট, প্রোটিন ও অন্যান্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস থাকে।
01:48 এই পুষ্টিপদার্থগুলি শিশুদের যথার্থ বিকাশ ও উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ও মস্তিষ্কের গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
01:57 শিশুদের এই অবস্থায় যে সব খাবারের সুপারিশ করা হয় তা হল খাঁচার মধ্যে না থাকা মুরগীর
02:02 ডিম, মাংস এবং খোলক বিশিষ্ট মাছ ছাড়া সব ধরনের মাছ , খোলক বিশিষ্ট মাছ বা শেল ফিস দেওয়া যেতে পারে ১ বছর বয়সের পর থেকে
02:12 শিশুকে আমিষ খাবার দেওয়ার আগে নীচের বিষয়গুলি মনে রাখবেন
02:18 কোন ধরনের প্রসেসড মাংস এবং কাঁচা খাবার শিশুকে দেবেন না
02:23 খাবার ভালোভাবে রান্না করা হতে হবে
02:26 সবথেকে বেশী গুরুত্বপূর্ণ হল, শিশুর খাবার রান্না করার সময়- সব সময় মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলবেন
02:34 আমরা ৬ মাসের শিশুর নানা প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছি এবং তাঁদের জন্য আমিষ খাবার কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা নিয়েও কথা বলেছি
02:43 এখন আমরা দেখবো যে, কিভাবে এই আমিষ পরিপূরক আহার তৈরি করা যায়
02:48 তাহলে আসুন আমাদের প্রথম রেসিপি এগ পিউরি
02:53 এগ পিউরি বানানোর জন্য প্রথমেই যা লাগবে তা হল, -

১টি ডিম এবং ১/২ (অর্ধেক) চা চামচ ঘি অথবা মাখন

03:01 এটি প্রস্তুত করতে, ডিম নিয়ে সেটিকে ভালো করে একটি পাত্রে ফেটিয়ে নিন
03:06 এরপর, স্টিলের পাত্রে ঘি গরম করুন।

ফেটানো ডিম স্টিলের পাত্রে ঢেলে নিন এবং কম আঁচে নাড়াতে থাকুন

03:15 আঁচ থেকে সেটিকে মাঝে মাঝে সরিয়ে নিন কারণ একটানা তাপের মধ্যে রাখলে এতে এগ পিউরি পুড়ে যেতে পারে
03:21 মিশ্রণটিকে নাড়াতে থাকুন এবং তা ঘন হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন
03:25 আঁচ বন্ধ করে দিন, এবং আপনার এগ পিউরি প্রস্তুত
03:30 কিছুক্ষন এটিকে ঠান্ডা করে নিন এবং শিশুকে খাওয়ান
03:34. দ্বিতীয় রেসিপি হল, ফিশ পিউরি
03:37 এর জন্য আমাদের যা প্রয়োজন তা হল- যেকোন স্থানীয় ভাবে পাওয়া যায় এমন মাছ-

ব্ল্যাক পমফ্রেট বম্বে ডাক হোয়াইট পমফ্রেট এবং স্কুইড

03:50 একটি স্টিলের পাত্রে পরিষ্কার করা ২ পিস মাছের টুকরো নিন
03:54 জল দিন যাতে মাছটি ডুবে থাকে। স্টিলের পাত্রটিকে একটি প্রেসার কুকারের ভেতরে রাখুন
04:00 প্রেসারে সেটিকে ৩ থেকে ৪ হুইশেল দিয়ে রান্না করুন
04:04 কিছুক্ষন সেটিকে ঠান্ডা করুন এরপর মাছের টুকরোগুলি বের করে একটি পাত্রে রাখুন
04:10 এখন ধীরে ধীরে হাড়গুলি ছাড়িয়ে নিন
04:13 শিশুকে খাওয়ানোর আগে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারন এগুলি শিশুর গলায় আটকে যেতে পারে
04:22 এখন একটি মিক্সারে, সেদ্ধ মাছকে পিউরি বানিয়ে নিন, এরপর শিশুকে খাওয়ান
04:28 তৃতীয় রেসিপি হল কাঁচা কলা ফিশ পরিজ
04:32 এটি প্রস্তুত করার জন্য, আমাদের ২ চা চামচ কাঁচা কলা গুড়ো প্রয়োজন,

এর সঙ্গেই ৪টি বম্বে ডাক অথবা যে কোন স্থানীয় মাছের ৪টি ছোট টুকরো প্রয়োজন

04:41 প্রথমে, আমরা কাঁচা কলা পাউডার দিয়ে শুরু করবো
04:46 যে কোন প্রকারের ২টি কাঁচা কলা নেব যা আপনার এলাকাতেই পাওয়া যায়
04:51 পিলার দিয়ে খোসা ছাড়িয়ে নেব। এখন, কলাগুলিকে পাতলা টুকরো করে কেটে নেব
04:58 স্লাইসগুলিকে ছায়ায় ১ থেকে ২ দিন ধরে শুকিয়ে নেব যতক্ষন না সেগুলি মুচমুচে হয়ে যায়
05:05 তারপর এই শুকনো কাঁচা কলা পাউডার বানিয়ে নেব একটি মিক্সারের সাহায্যে
05:10 চালুনী দিয়ে চেলে নিয়ে বীজ পৃথক করে দেব
05:13 এখন কাঁচা কলার পাউডার ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত
05:17 এরপর, ফিস পিউরি বানানোর জন্য- আগের রেসিপিতে বর্ননা করা পদ্ধতি মেনে চলুন
05:24 এরপর, একটি পাত্রে ২ চা চামচ কাঁচা কলা পাউডার নিয়ে নিন
05:29 ৩ চামচ জল যোগ করুন এবং সেটিকে ভালো করে মিশিয়ে নিন যতক্ষন না তা লেই এর আকারে আসছে
05:35 প্রয়োজন হলে আরো জল যোগ করুন
05:38 এখন হালকা আঁচে মিশ্রণটিকে ৫ থেকে ৭ মিনিট ধরে রান্না করুন
05:43 এরপর, রান্না করা ফিশ পিউরি এতে মিশিয়ে নিন
05:47 মিশ্রনটিকে নাড়াতে থাকুন এবং হালকা আঁচে ৪-৫ মিনিৎ ধরে রান্না করুন
05:53 কাঁচা কলা ফিস পরিজ প্রস্তুত। কিছুক্ষন সেটিকে ঠান্ডা করে শিশুকে খাওয়ান
06:01 আসুন এবার আমরা চতূর্থ রেসিপিতে যাই- চিকেন লিভার পিউরি
06:06 এটি বানানোর জন্য, আমাদের ১টি চিকেন লিভার প্রয়োজন
06:09 পদ্ধতিঃ পরিষ্কার চিকেন লিভারটিকে একটি স্টিলের পাত্রে নিন
06:15 এতির উপর জল ধালুন যাতে তা ডুবে যায়
06:18 এখন স্টিলের পাত্রটিকে একটি প্রেসার কুকারের ভেতরে রাখুন
06:21 ৩ থেকে ৪টি হুইসেল দিয়ে প্রেসারে রান্না করুন
06:25 ঠাণ্ডা হয়ে গেলে, প্লেটের উপরে রাখুন
06:29 সেদ্ধ চিকেন লিভারটিকে একটি মিক্সার এর সাহায্যে পিউরি আকারে বানান এবং শিশুকে খাওয়ান
06:37 এখন আমরা শিখবো পঞ্চম রেসিপি- যা হোল চিকেন ক্যারট পিউরি
06:43 এরজন্য আমাদের প্রয়োজনঃ ৪-৫ টি চিকেন ব্রেস্ট অথবা বোনলেস চিকেন এর ৪-৫টি ছোট টুকরো ও ১টি গাজর
06:50 চিকেন এর টুকরোগুলিকে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে স্টিলের পাত্রে রাখুন

পাত্রটি ভর্তি করে জল দিন যাতে চিকেনের টুকরোগুলি ডুবে থাকে

07:00 এখন, স্টিলের পাত্রটিকে প্রেসার কুকারে রেখে ৩ থেকে ৪টি হুইসেল দিয়ে গরম করুন
07:07 কিছুক্ষনের জন্য সেটিকে ঠান্ডা করতে দিন। এরপর চিকেন এর টুকরোগুলি প্লেটে নিয়ে ঠান্ডা হতে দিন
07:15 এরপর গাজরটি ১০ মিনিট ধরে সেদ্ধ করে ঠান্ডা করুন
07:20 সেদ্ধ চিকেন টুকরো এবং সেদ্ধ গাজরটিকে মিক্সারে পিউরি বানিয়ে নিন
07:26 এই সকল রেসিপিগুলির পুষ্টিমূল্যের কথা বলতে গেলে- মনে রাখবেন সবকটি রেসিপি পরিপূর্ণ-

প্রোটিন-এ

07:36 “DHA” এবং “EPA” যেগুলি আসলে “ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড”
07:42 “চোলিন”
07:45 ভিটামিন A
07:49 ভিটামিন D
07:52 ভিটামিন B3
07:57 ভিটামিন B6
08:01 “ফোলেট”
08:04 ভিটামিন B12
08:08 জিঙ্ক
08:11 ম্যাগনেসিয়াম
08:14 আয়রন
08:18 ফসফরাস
08:21 কপার ও “সেলেনিয়াম”
08:28 এই পুষ্টিগুণগুলি সহজেই আমিষ খাদ্য উৎসে পাওয়া যায়.
08:33 কাজেই এগুলি সবই শিশুর বিকাশ ও বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগে
08:40 এর মধ্যে দিয়েই আমরা ৬ মাস বয়সের শিশুদের জন্য আমিষ রেসিপি বানানোর টিউটোরিয়াল সমাপ্ত করছি

আমাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

Contributors and Content Editors

Sneharout321